20% ছাড়
বিস্তারিত
Sharbat-e-bel- শরবত-ই-বেল এর কার্যকারিতা:
( আমাশয় কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে) হজমকারক, রুচিবর্ধক, কোষ্ঠ পরিস্কারক, পেটের গ্যাস এবং আমাশয়, ডায়রিয়া ও পাতলা পায়খানা, আইবিএস রোগে কার্যকর।
শরবত-ই-বেল (Sharbat-e-Bel) একটি প্রাকৃতিক ওষধি শরবত, যা পেটের বিভিন্ন সমস্যা দূর করতে অত্যন্ত কার্যকর। এর কার্যকারিতা নিম্নরূপ:
আমাশয় ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: এটি আমাশয়ের সমস্যা দূর করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।
হজমকারক: শরবত-ই-বেল হজম প্রক্রিয়াকে সহজ করে, খাবার দ্রুত হজম হতে সহায়তা করে।
রুচি বৃদ্ধি করে: এটি রুচি বাড়ায় এবং খাদ্যের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে সাহায্য করে, ফলে ক্ষুধামন্দা দূর হয়।
কোষ্ঠ পরিষ্কারক: শরীরের বর্জ্য দূর করে পেট পরিষ্কার রাখতে সহায়ক, কোষ্ঠের সমস্যা দূর করে।
পেটের গ্যাস নিরসনে কার্যকর: এটি পেটের গ্যাস ও ফাঁপা দূর করতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে, যা পেটের অস্বস্তি কমায়।
ডায়রিয়া ও পাতলা পায়খানা নিয়ন্ত্রণ করে: শরবত-ই-বেল ডায়রিয়া, পাতলা পায়খানা এবং আইবিএস (ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম)-এর মতো সমস্যা নিরসনে সহায়ক।
শরবত-ই-বেল একটি প্রাকৃতিক এবং নিরাপদ সমাধান, যা পেটের গ্যাস, আমাশয়, কোষ্ঠকাঠিন্য, এবং ডায়রিয়া সংক্রান্ত সমস্যায় আরাম দেয় এবং হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
শরবত-এ-বেল হলো একটি প্রাচীন এবং জনপ্রিয় বাঙালি পানীয়, যা বেল ফল থেকে তৈরি করা হয়। এটি বিশেষত গ্রীষ্মকালে শরীরকে ঠাণ্ডা রাখতে এবং পুষ্টি সরবরাহ করতে পান করা হয়।
উপাদানসমূহ:
পাকা বেল ফল
ঠাণ্ডা পানি
চিনি বা গুড়
লেবুর রস (ঐচ্ছিক)
সামান্য গোলাপ জল (ঐচ্ছিক)
প্রস্তুত প্রণালী:
একটি পাকা বেল ফল ভেঙে এর শাঁস বের করে নিন।
শাঁসটি ভালোভাবে চটকে নিন এবং পানি যোগ করে মিশ্রণটি ছেঁকে নিন।
এর মধ্যে চিনি বা গুড় দিয়ে মেশান যতক্ষণ না তা পুরোপুরি গলে যায়।
স্বাদ বাড়ানোর জন্য লেবুর রস এবং সামান্য গোলাপ জল যোগ করতে পারেন।
ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা পরিবেশন করুন।
উপকারিতা:
বেল শরবত গরমে দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
হজমশক্তি উন্নত করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
এটি ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং প্রাকৃতিক এনজাইম সমৃদ্ধ, যা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক।
শরবত-এ-বেলের প্রাকৃতিক স্বাদ এবং উপকারিতা একে বাঙালি সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ করে তুলেছে।
ভিটামিন এ, ডি, ই ও ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় এবং অরাইজনাল কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে।হজমকারক, রুচিবর্ধক, কোষ্ঠ পরিষ্কারক,পেটের গ্যাস এবং আমাশয়, ডায়রিয়া ও পাতলা পায়খানা, আইবিএস রোগে কার্যকর।
পাকা বেল ফল
ঠাণ্ডা পানি
চিনি বা গুড়
লেবুর রস (ঐচ্ছিক)
সামান্য গোলাপ জল (ঐচ্ছিক)
প্রস্তুত প্রণালী:
একটি পাকা বেল ফল ভেঙে এর শাঁস বের করে নিন।
শাঁসটি ভালোভাবে চটকে নিন এবং পানি যোগ করে মিশ্রণটি ছেঁকে নিন।
এর মধ্যে চিনি বা গুড় দিয়ে মেশান যতক্ষণ না তা পুরোপুরি গলে যায়।
স্বাদ বাড়ানোর জন্য লেবুর রস এবং সামান্য গোলাপ জল যোগ করতে পারেন।
ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা পরিবেশন করুন।
উপকারিতা:
বেল শরবত গরমে দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
হজমশক্তি উন্নত করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
এটি ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং প্রাকৃতিক এনজাইম সমৃদ্ধ, যা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক।
শরবত-এ-বেলের প্রাকৃতিক স্বাদ এবং উপকারিতা একে বাঙালি সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ করে তুলেছে।
ভিটামিন এ, ডি, ই ও ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় এবং অরাইজনাল কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে।হজমকারক, রুচিবর্ধক, কোষ্ঠ পরিষ্কারক,পেটের গ্যাস এবং আমাশয়, ডায়রিয়া ও পাতলা পায়খানা, আইবিএস রোগে কার্যকর।
কী কী উপকার আছে
চরক সংহিতায় কিন্তু বেলের উল্লেখ আছে। বেল গাছের সবকটি অংশকেই বলা হয়েছে ভেষজ গুণসম্পন্ন। তাই আজ থেকেই বেল খাওয়া শুরু করুন।

১. কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়
আমরা সেই ছোট থেকে শুনে আসছি, পেট পরিষ্কার করার জন্য বেল খেতে হয়। এটি কিন্তু বৈজ্ঞানিক ভাবেও সত্য। বেল সুন্দর ভাবে মল পরিষ্কার হতে সাহায্য করে। নিয়মিত রোজ টানা ৩ মাস যদি আপনি বেলের শরবৎ খেতে পারেন তাহলে আপনার মল আর কঠিন থাকবে না। কোষ্ঠকাঠিন্য আর হবে না। পাকা বেলের শাঁস বের করে চিনি দিয়ে মিশিয়ে আর জল বা দুধে ঘেঁটে শরবৎ করে খান।
২. ডায়েরিয়া কমায়
কাঁচা বেল ডায়েরিয়ার জন্য অব্যর্থ ওষুধ। যদি অনেক দিন ধরে আপনি এই সমস্যায় ভোগেন তাহলে বেল খান। কাঁচা বেল স্লাইস করে কেটে রোদে শুকিয়ে নিন। তারপর তা গুঁড়ো করে নিন আর এই গুঁড়ো ১ চামচ নিয়ে ব্রাউন সুগার আর গরম জলে মিশিয়ে খান। দিনে দু বার খেতে হবে এই জল। আপনাকে ফল পেতে এক সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হবে।
৩. পেপটিক আলসারের ওষুধ
আপনার আলসার যদি দীর্ঘ দিনের হয় তাহলে তো ডাক্তার দেখাতেই হবে, ওষুধ খেতেই হবে। কিন্তু তার সঙ্গে বেল খাওয়াও কিন্তু খুব দরকার। পাকা বেলের শাঁসে সেই ফাইবার আছে যা আলসার উপশমে সাহায্য করে। সপ্তাহে তিন দিন বেলের শরবৎ করে খান আলসার কমাতে। এছাড়া বেলের পাতা সারা রাত জলে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন সেই জল খেলেও কিন্তু অনেক কমে যায় আলসার।
৪. ডায়াবেটিস কমায়

৫. যক্ষ্মা কমায়
শুনে একদমই চমকে উঠবেন না। পাকা বেলে আছে অ্যান্টি মাইক্রোবায়াল উপাদান, যা যক্ষ্মা কমাতে সাহায্য করে। তবে ভালো ফল পেতে আপনাকে ব্রাউন সুগারের সঙ্গে বা মধু দিয়ে বেলের শরবৎ করে রাতে খেতে হবে শুতে যাওয়ার আগে। এটি টানা চল্লিশ দিন খান। উপকার পেতে আপনি বাধ্য।
৬. আর্থ্রারাইটিস উপশম করে
এটি একটি এমন সমস্যা যা আজকাল শুধু বয়স্কদের নয়, অনেক কম বয়সের মানুষদেরও হচ্ছে। গাঁটে গাঁটে ব্যথা, চলতে সমস্যা এই সবই এর লক্ষণ। কিন্তু বেলে থাকা অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান এই ব্যথার হাত থেকে আমাদের মুক্তি দিতে পারে। নিয়ম করে তাই বেল খান।
৭. স্কার্ভি কমায়
স্কার্ভি হল দাঁতের একটি সমস্যা যেটি মূলত ভিটামিন সি’র অভাবে হয়। দাঁতের ক্ষয় হয় মূলত এই রোগ হলে। বেল এই রোগের প্রকোপ কমায়। আমরা দেখেইছি যে বেল হল ভিটামিন সি’র একটি অনবদ্য উৎস। তাই আমরা আমাদের দৈনন্দিন ভিটামিন সি’র চাহিদা বেল থেকে পূরণ করতে পারি।
৮. ক্যানসার থেকেও দূরে রাখে
ক্যানসার আজকের দিনের এক মহামারী বলা যায়। আমরা সবাই চাই এই রোগটি থেকে দূরে থাকতে। বেল কিন্তু আমাদের এই রোগ থেকে দূরে রাখে। এতে আছে অ্যান্টি প্রলেফিরেটিভ ও অ্যান্টি মুটাজেন উপাদান। এই উপাদান টিউমার হতে দেয় না সহজে। আর যেহেতু এই ফলে হাই অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান আছে তাই ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।
৯. আভ্যন্তরীণ সার্বিক স্বাস্থ্য ধরে রাখতে
বেলে আছে ফেনোলিক কম্পাউন্ড যা উচ্চ অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। এই গাছের সব অংশই অ্যান্টি অক্সিডেন্টে ভরপুর। আর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আমাদের কোষ তৈরিতে সাহায্য করে। ড্যামেজ কোষ থেকে ফ্রি র্যাটডিকেল হওয়া কমায়। অ্যান্টি অক্সিডেন্ট বার্ধক্য কমায় আর ত্বকের যৌবন ধরে রাখে।
১০. ম্যালেরিয়া কমায়
এটাও নিশ্চয়ই আগে শোনেননি? বেলের কিন্তু এই গুণটিও আছে। ম্যালেরিয়া হলে কাঁচা বেল নিয়ে গুঁড়ো করে নিন। এবার ১ চামচ এই বেল গুঁড়ো নিয়ে তার সঙ্গে তুলসীর রস নিন। সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেয়ে নিন দিনে দু বার। এটি কিন্তু অসাধারণ কাজ দেয়।
১১. রক্ত শুদ্ধ করে
আমাদের শরীরের প্রধান উপাদানই তো রক্ত । রক্তের মাধ্যমেই পুষ্টিগুণ সব অংশে পরিবাহিত হয়। তাই রক্তের শুদ্ধ থাকাটা খুব দরকার। বেল এই রক্ত শুদ্ধ করতে খুব ভালো কাজ দেয়। খানিকটা পাকা বেলের রসের সঙ্গে চিনি মিশিয়ে খেলে এটি রক্ত শুদ্ধ করে। ট্যান দূর করে। শুধু রক্ত নয়, কিডনি ও লিভারের কাজও ঠিক করে।
১২. এনার্জি বাড়ায়
আজকের দিনে আমাদের অনেক কাজ করতে হয়। বসে থাকার সময় নেই আমাদের। তাই এনার্জি বাড়াতেই হবে। বেল এই এনার্জি বাড়াতে অনবদ্য। ১০০ গ্রাম বেল ১৪০ ক্যালোরি এনার্জি দেয়। বেল মেটাবলিক স্পিড বাড়ায়। আর এতে হাই প্রোটিন আছে বলে পেশি তাড়াতাড়ি সজাগ হয়। তাই আমরা অনেকটা সময় জুড়ে এনার্জেটিক থাকতে পারি। অনেক কাজ করতে পারি।
১৩. লিভারের যত্ন
বেল বিটা ক্যারোটিনের সমৃদ্ধ উৎস। আর বিটা ক্যারোটিন হল লিভার ভালো রাখার অন্যতম মূল চাবিকাঠি। বেলে আছে থিয়ামিন আর রাইবোফ্লেভিন। এই দুই উপাদানই লিভারের শক্তি বাড়ায় খুব ভালো ভাবে। তাই লিভার ভালো রাখতে রোজ বেল খাওয়ার অভ্যেস করুন।
১৪. ব্লাড প্রেসার কমায়
যদি আপনি বেলের ভক্ত নাও হন, তাও বেল খান। কারণ বেল আপনার ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখবে। সাধারণ যেমন বেলের শরবৎ খান সেভাবে খেলেই হবে। মিষ্টি এই শরবৎ কিন্তু আপনার এই চাপ থেকে আপনাকে অনেক দূরে রাখবে।
১৫. আমাশয় কমায়
আমাশয় হলে কিন্তু আমাদের যন্ত্রণার একশেষ। নাভির কাছে চিনচিনে ব্যথা, টক বমি সব মিলে খুব বাজে ব্যাপার। কিন্তু বেলের কাছে এটি কমাবারও ম্যাজিক আছে। কচি বেল টুকরো করে কেটে জলে ভিজিয়ে রাখুন সারা রাত। সেই জল পরের দিন ছেঁকে নিয়ে খান। দেখবেন এতে খুব ভালো ফল পাবেন।
সেবন বিধি : ৫-১০ গ্রাম দিনে ২-৩ বার আহারের পর অথবা রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেব্য, আলো থেকে দূরে, ঠান্ডা ও শুষ্ক স্থানে রাখুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
Reviews (0)
Get specific details about this product from customers who own it.
This product has no reviews yet. Be the first one to write a review.
Premium Gadgetz
Car Accessories
Music & Accessories
Mobile Accessories
Multifunctional Hub
Power Bank
Smart Watch
Computer Accessories
Babies Items
Herbal Products
Women's Fashion
Modern Food
Unani Medicine
Man's & Women's Any Item
Ayurvedic Medicine
Herbal Medicin